বন্ধুদের
আড্ডায় কিংবা কাজের ফাকে গরম চায়ের
সাথে একটা জ্বলন্ত সিগারেট,
আর কি লাগে? কিন্তু
আপনি এর ক্ষতিকারক দিকগুলো
জানেন তো?
এক গবেষনায় দেখা গেছে বেশি
গরম চা পান করার
অভ্যাসে ইসোফেজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে৷ এমনই
আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে, ৬
ফেব্রুয়ারি অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন
জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যে
ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান করেন এবং মদ্যপান
করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান
করাটা খাদ্যনালীতে টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
যারা
দিতে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্তপানীয় পান করেন, এর
পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরমচা পান করেন তাদের
খাদ্যনালীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। এছাড়া ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতিদিন
অতিরিক্ত গরম চা পান
করলে তাদের অনেকাংশেই এই ক্যান্সারটি হওয়ার
ঝুঁকি বেশি থাকে।
তামাক
ও অ্যালকোহল দুটো থেকে দূরে
থাকাই হচ্ছে এই ক্যান্সারটি প্রতিরোধের
ভালো উপায়, জানালেন গবেষনাটির লেখক পিকিং ইউনিভার্সিটি
হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ড. জুন এলভি।
তবে তিনি আরো বলেন,
ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস
না থাকলে শুধু চা পান
করা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার
কিছু নেই।
৩০ বছর থেকে ৭৯
বছর বয়সী সাড়ে চার
লক্ষ ব্যক্তির ধুমপান, মদ্যপান এবং চা পান
অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা
হয়েছিল এক গবেষনার জন্য।
তাদের কারোই ক্যান্সার ছিলোনা যখন গবেষণাটি শুরু
হয়েছিল। এই সাড়ে চার
লক্ষ মানুষের তথ্য নেওয়া হয়
পরবর্তী নয় বছর। আর
১,৭৩১ জনের ইসোফ্যাজিয়াল
ক্যান্সার দেখা দেয় এই
সময়ের মধ্যে।
যারা
অতিরিক্ত উত্তপ্ত চা পান করেন,
মদ্যপান করেন এবং ধূমপান
করেন, এই তিনটি অভ্যাস যাদের নেই তাদের তুলনায়
এসব মানুষের ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশি,
এমনটাই ফলাফলে দেখা যায়।
তবে
কিছু তথ্য পাওয়া যায়নি
গবেষনাটিতে, যেমন ইসোফ্যাজিয়াল টিউমারের
ঝুঁকি বেশি হবে ঠিক
কত তাপমাত্রায় চা পান করলে।
এছাড়াও গবেষনায় পাওয়া যায়নি, এই নয় বছরে
তাদের অভ্যাস পরিবর্তনে এই ঝুঁকি কম
বা বেশি হয় কিনা।



