কম বেশি আমরা সবাই
বিষণ্নতায় ভুগি। তবে বিষণ্নতার মাত্রা বেড়ে গেলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষ আত্মহত্যাও করে। হতাশা হলো এমন একটি শব্দ যার সাথে আমরা সবচাইতে বেশি পরিচিত কারণ
প্রতিদিন আমাদের নানা কারণে হতাশা সম্মুখীন হতে হয়। পরিস্থিতিভেদে হয়তোবা হতাশার
পরিমাণ কম-বেশী হতে পারে তবে হতাশা যে আমাদের সকলের মধ্যেই আছে সেটাও সত্য। একজন শতভাগ
সফল মানুষের মাঝেও কাজ করতে পারে হতাশা। হতাশা এমন একটি ক্ষতিকারক অনুভূতি যার
ক্ষতির পরিমাণ অপরিসীম, এমনকি এটি মানুষকে আত্মহত্যা পর্যন্ত ঠেলে দিতে পারে।
আত্মহত্যা ঠেকানোর
জন্য একজনকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে এবং এই সংক্রান্ত ঘটনাগুলি নিয়ে
গভীরভাবে চিন্তা করার শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। আত্মহত্যার ঘটনা খুবই নিন্দনীয়
হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এই ঘটনার জন্য দুর্ভোগের শিকারও হতে হয়,
যা পরিস্থিতিকে অসহনীয় করে তোলে। এহেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি
এড়ানোর জন্য সক্রিয় উদ্যোগ একান্ত জরুরি।
তাহলে চলুন এবার জেনে
নেওয়া যাক কিভাবে আত্মহত্যা থেকে বের হয়ে আসা যায়।
আত্মহত্যা কোনো
সমস্যার সমাধান নয়। জীবনে চলতে হবে সাহসিকতার সঙ্গে, নির্ভয়ে, নির্ভারে।
চারপাশের সমস্যাগুলোকে
ছোট মনে করে নিজের জন্য বাঁচতে হবে। অন্যের জন্য নিজে কেন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন?
এটিও ঠিক যে কিছু কিছু সমস্যা আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। তবু
আত্মহত্যা কোনো সমাধান দিতে পারে না। তিনিই আসল মানুষ,
যিনি সমস্যার মধ্যে থেকে তার মোকাবিলা করেন।
কোনো সমস্যা নিয়ে
বিশেষ ঝামেলায় পড়লে মনের বিভ্রমে ভুগলে কাছের বিশ্বস্ত কারও পরামর্শ নিন। সমাধানের
উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করুন। তিলকে তাল করা বা কাদাপানি ঘোলা করে এমন পরিস্থিতি বা
লোকজন এড়িয়ে চলুন।
১। তিক্ত সম্পর্কগুলো
ঝেড়ে ফেলুন।
২। সম্পর্কের সুস্থতা
বজায় রাখুন।
৩। নিত্য নতুন
কাজকর্মে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
৪। স্বপ্নগুলোকে ডানা
মেলতে দিন।
৫। কাজে ডুবে থাকুন।
৬। ঘুরে বেড়ান।
৭। পছন্দের গান শুনুন।
৮। ব্যায়াম করুণ।
আমরা অনেক কারনেই
হতাশার সম্মুখীন হই। এটা হতে পারে আমার পড়াশোনা নিয়ে,
চাকুরী নিয়ে, ব্যবসায় নিয়ে, পারিবারিক ভাবে ইত্যাদি। কিন্তু আপনি আমাকে এই হতাশা থেকে
বেরিয়ে আসতে হবে। তাই আত্নহত্যাকে না বলুন। জীবনই মুক্তি।
