বহুগুনে
তেজপাতা
বিভিন্ন
প্রকার সুস্বাদু রান্নায় তেজপাতা না হলেই যেন নয়।
বলা হয় খাবারে বারতি স্বাদ আনতে সাহায্য করে এই সুগন্ধি পাতা।
এছাড়াও আমাদের শরীরকে একটা ঝরঝরে অনুভূতি দেয়, তেজপাতার চা। সুগন্ধের পাশাপাশি বহুগুনে সমৃদ্ধ এই পাতা।
জেনে নিন তেজপাতার কিছু উপকারিতা।
পুষ্টিগুনঃ
তেজপাতা
একটি সুগন্ধি মসলা।
এটি মশলা হিসেবে ব্যবহারিত হলেও এর রয়েছে কিছু ঔষধিগুন।
এতে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’ ও
‘সি’ এবং এই মসলায় রয়েছে ফলিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান।
তেজপাতার
কিছু উপকারিতাঃ
১। হজমশক্তি বাড়ায়: তেজপাতা মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র ব্যবস্থায় বেশ প্রভাব ফেলে।
শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় এবং শরীরকে আরও ভালোভাবে কাজ করতে সহায়তা করে এই সুগন্ধি মশলা।
এতে বিদ্যমান জৈব যৌগ, পেটের অসুখ সারাতে সাহায্য করে।
তেজপাতা খুব কার্যকর ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস) বা অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতার ত্রুটিজনিত সমস্যা এড়াতে।
শরীর জটিল প্রোটিন সহজে হজম করতে পারে না, তা হজমে
সাহায্য করে তেজপাতা
২। হৃদ্যন্ত্রবান্ধব: তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড।
হার্টের দেয়ালকে মজবুত করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে এ উপাদানগুলো বেশ কার্যকর।
তেজপাতা হৃদ্যন্ত্রকে সুস্থ রাখে।
৩। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: টানা ৩০ দিন
১ থেকে ৩ গ্রাম তেজপাতা গ্রহণ করলে রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টরেলের পরিমাণ কমে, এমনটা জানা গেছে এক গবেষণায়। রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টরেলের পরিমাণ কমে তেজপাতা সেবনের ফলে। ইনসুলিনের
মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতায় থাকা উপাদান।
৪। ব্যথা উপশমে কার্যকর: প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করা তেজপাতার অন্যতম গুণ।
যেকোনো ধরনের মাথাব্যথা উপশমে কার্যকরী তেজপাতা।
তেজপাতায় থাকা ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট উপাদান, যা প্রদাহ দূর করে।
৫। ক্ষত নিরাময় করে: এক গবেষণায়
দেখা গেছে, তেজপাতা জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।
বিভিন্ন ধরনের ক্ষত নিরাময়ে তেজপাতা অতুলনীয়।
৬। চাপ কমাতে সাহায্য করে: তেজপাতায় রয়েছে লিনালুল নামক উপাদান।
আর এই উপাদানটি উৎকণ্ঠা কাটাতে, শান্ত থাকতে ও হতাশা দূর করতে সহায়তা করে।

