বয়স বাড়ায় যে খাবারগুলো
সময়ের সাথে সাথে আমাদের বয়সও বাড়তে থাকে। কিন্তু আমরা কেউই হয়ত চাই না বয়সের ছাপ চোখে মুখে পড়ুক। আর তাই আমরা খুব চেষ্টা করি বার্ধক্যকে এড়িয়ে চলতে। কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও সেটা সম্ভব হয়না। তবে আমরা একটু সচেতন হলেই ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করতে পারি। আর এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখুন কিছু খাবারের প্রতি।
অ্যালকোহল জাতীয় তরল পানীয়ঃ
শরীরের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড এবং খনিজের পরিমান কমে যায় অতিরিক্ত মদ্যপান করলে। এছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয় এবং এর প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকের ওপর।
চিনিঃ
শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়ার কাজ কমে যায় এবং কোলেস্টরল বৃদ্ধি পায় খাবারে বেশি পরিমাণে চিনি খেলে। আর এর ফলে মুখে বলিরেখার ছাপ স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চিনি, মিষ্টি খেলেও সতর্কতা অবলম্বন করুন।
লবণঃ
শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত লবণ খেলে। আর এর ফলে দেখা দিতে পারে যকৃৎ-এর সমস্যা, রক্তচাপ বৃদ্ধি, কিডনি সমস্যা প্রভৃতি রোগ। যার প্রভাব ত্বকের ওপর পড়ে এবং ত্বক রুক্ষ, শুস্ক আর অমসৃণ হয়ে যায়।
মাংসঃ
মাংসে অতিরিক্ত মাত্রায় সম্পৃক্ত ফ্যাট থাকায় বেশি পরিমাণে মাংস খেলে শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা কমে যায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শরীর ভারি হতে শুরু করেরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শরীর ভারি হতে শুরু করে এবং এর প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর।
তৈলাক্ত খাদ্যঃ
ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকে পিজা-পাস্তা জাতীয় খাবারে। আর এটি রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করেরক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করে ধমনীতে এবং কোষের মধ্যে থাকা তরল পদার্থকেও ক্ষয় করে ফেলে। এর ফলে সংবেদনশীল ত্বকগুলোতে বেশ ক্ষতি হতে পারে।
গমঃ
ত্বকের কোষগুলিকে ক্ষয় করে গমে থাকা ‘অ্যাডভান্স গ্রাইকেশন এন্ড প্রোডাক্ট’। এছাড়াও রক্তচাপও বৃদ্ধি করে। যার ফলে ত্বকের স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়ে যায়।
এনার্জি ড্রিংকঃ
অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফিন থাকে এনার্জি ড্রিঙ্কগুলোর মতো কোমল পানীয়তে। এর ফলে দেখা দেয় শরীরে জলশূন্যতা। আর এর প্রভাব ত্বকের উপরেও পড়ে।
ভূট্টাঃ
অতিরিক্ত পরিমানে ওমেগা ৬, ওমেগা ৩ এবং ফ্যাটি অ্যসিড থাকে ভূট্টা বা ভূট্টা জাতীয় খাদ্যদ্রব্যে।
যার ফলে ত্বকে বলিরেখার ছাপ স্পষ্ট হয়ে বোঝা যায়।
কফিঃ
- শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয় অতিরিক্ত পরিমাণে কফি খেলে। এর প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরেও। স্বাভাবিক পানির অভাব হয় ত্বকেও। ফলে কুচকে যেতে থাকে ত্বক।
